রবিবার
২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং
৭ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
২৩শে মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

তাহিরপুর ইউপি’র চেয়ারম্যানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ৯ ইউপি সদস্যর অভিযোগ

প্রতিবেদক:  Shomoy News 24    প্রকাশের সময়: 04/08/2019  9:37 PM

মহিবুর রেজা টুনু, সময় নিউজ ২৪ ডটনেট, সুনামগঞ্জ: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ৫নং বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দুনীর্তির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেন পরিষদের ৯জন ইউপি সদস্য আলী আহমদ, মোঃ রেনু মিয়া,মণির উদ্দিন,মোস্তফা,মফিজ উদ্দিন,+রাশেদা আক্তার, হাসনারা,আব্দুল হক,মনোয়ারা খাতুন ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আপ্তাব উদ্দিন ও পরিষদের সচিব মিলে সরকার কৃর্তক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বরাদ্দের টাকা এলাকার উন্নয়ন কাজে ব্যয় না করে বরাদ্দের সাড়ে ৯ লাখ টাকা আত্মসাধ করেছেন। চেয়ারম্যানের ক্ষমতার দাপটে স্থানীয় লোকজন প্রতিবাদ করার সাহস পাওয়ায় কোন প্রকল্পে জবাবদিহিতা না করেই তিনি তার ইচ্ছেমতো এমন অনৈতিক কাজ করেই চলেছেন। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাদাঘাট বাজারে দুইটি ড্রেন,লাইড়েরগড় বাজারের ড্রেন,বাদাঘাট হাসপাতালের চিকিৎসার যন্ত্রপাতি,ননাই গ্রামে আরসিসি রাস্তা,বিভিন্ন স্কুলের ব্রেঞ্চ ও দুই প্রকল্পের মাটি ভরাটে আংশিক কাজ দেখিয়ে বাকি টাকা আত্মসাধ করেছেন যা পরিষদের ৯জন ইউপি সদস্য অবগত নন। ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক জনগনের নিকট হতে আদায়কৃত ট্র্যাস্ক,ট্রেড লাইসেন্স আদায় ফ্রি ব্যাংকে জমা না দিয়ে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিব নিজের পকেটস্থ করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। একবছর গত হলেও চেয়ারম্যান তার পরিষদের সদস্য ও সদস্যাদের সম্মানি ভাতা না দিয়ে বীরদর্পের মতো একের পর এক অপকর্ম করেই চলেছেন। ভিজিডি কার্ডধারীদের নিকট হতে প্রতিমাসে ৫০ টাকা করে চাদাঁ আদায় করছেন এবং প্রতিবছর টিআর কাবিখা,কাবিটা,হতদরিদ্রদের কর্মসূচীর সব প্রকল্পেই ইউপি সদস্য ও সদস্যাদের পিআইসি দেয়া হয়। কিন্তু প্রকল্পের টাকা উত্তোলনের সাথে সাথে সমোদয় টাকা চেয়ারম্যানের নিকট জমা দিতে হয়। এ বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী অভিযোগকারীদের।
এ ব্যাপারে বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে,তার বিরুদ্ধে র্দূনীতির আনীত অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন প্রকল্প নিয়ে ইউপি সদস্যদের সাথে কিছুটা ভূল বোঝাবুঝি থাকায় এমন করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিস্পত্তির প্রচেষ্টা চলছে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ব্যস্ততার কারণে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

Site Develop by : Shekh Mostafizur Rahman Faysal